আজ ১০ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে চরাঞ্চলের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো

কবির মাহমুদ

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে প্রায় দু’বছর যাবত বন্ধ রয়েছে দেশের সকল প্রাথমিক, মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কিন্ডারগার্টেন স্কুল গুলো। দীর্ঘ এ সময়টা জুড়ে সকল প্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ থাকার সুবাদে প্রাণ চাঞ্চল্য হীন হয়ে পড়েছিলো বিদ্যালয় আঙিনা।

ছাত্র-ছাত্রীদের কলরব, হৈ-চে সবকিছু ছাড়া বেমানান লাগছিলো স্কুল কলেজগুলো। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করণের মাধ্যমে খুলে দেয়া হয়েছে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এতে করে দীর্ঘ সময় জুড়ে বন্ধ থাকা এসব প্রতিষ্ঠান যেনো প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

১২ই সেপ্টেম্বর (রবিবার) কাজিপুর উপজেলার নাটুয়ারপাড়া, চরগিরিশ, নিশ্চিন্তপুর ও তেকানি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুলে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের উৎসব মুখর এমন পরিবেশ।

প্রায় স্কুল গুলোতে রাখা হয়েছে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রক (থার্মাল স্ক্যানার) যন্ত্র, রয়েছে হাত ধৌত করনের জন্য সাবান পানি, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ নানা সুরক্ষা সামগ্রী।

যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রেণীকক্ষে মাস্ক পরিধান করে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখেই বসেছে শিক্ষার্থীরা। উপজেলার নাটুয়ারপাড়া কে.বি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, নাটুয়ারপাড়া ডিগ্রী কলেজ, ঘোড়াগাছা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, নিশ্চিন্তপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় গুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ছাত্র ছাত্রী উপস্থিতি দেখা গেছে।

মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলোর মতোই অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করেই চালানো হচ্ছে পাঠদান কর্মসূচি। এরই মধ্যে নিশ্চিন্তপুর ইউনিয়নের ১০৩ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আঙিনা, শ্রেনী কক্ষ,স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থার পরিবেশ মন কাড়বে যে কারো।

বিদ্যালয়ের প্রবেশ মুখে (থার্মাল স্ক্যানার) তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রক যন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে স্বয়ং প্রধান শিক্ষক, হাত ধোবার জন্য রয়েছে সাবান,স্যাভলনের ব্যবস্থা, প্রতি শিক্ষার্থীর জন্য বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে মাস্কের ব্যবস্থা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম জানান, দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার শর্তে পাঠদান কর্মসূচি চালিয়ে যাবার অনুমতি দিয়ে স্কুল কলেজ খুলে দিয়েছে সরকার। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিয়মকানুন মেনে প্রতিষ্ঠান চালানো, তবেই বাচ্চারা সুস্থ থাকবে।

সরেজমিন ঘুরে অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘ সময়ের পর স্কুল খুললেও শিক্ষকদের আন্তরিক ব্যবহার, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য গৃহীত পদক্ষেপ প্রশংসনীয়।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর...

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তী

error: Content is protected !!