আজ ১০ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

বর্ষা মৌসুমে সেচ দিতে হচ্ছে আমন ক্ষেতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার আশংকা

আজকের সিরাজগঞ্জ ডেস্ক :

পানির অভাবে বিলম্ব হচ্ছে জমি তৈরির কাজ ব্যাহত হচ্ছে বৃষ্টি নির্ভর রোপা আমন চাষাবাদ সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার খরতাপে শুকিয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি চিন্তিত কৃষক। ভরা বর্ষায় শ্রাবণের ২ সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও আকাশ বৃষ্টিহীন।

জেলা কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপতর সূত্রে জানা যায়, ৯টি উপজেলা আমণ ধানে লক্ষ্যমাত্রা নিধারণ করা হয় ৭১হাজার ৮৮০ হেক্টর রোপা আমন চারা রোপনের উপযুক্ত সময় ১৫ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত । এছাড়া বিলম্বে চারা রোপনে ফলন কমে যাওয়ার আংশকা থাকে। এ অঞ্চলে কৃষকরা ঝুকে পড়ছে গভীর , অগভীর নলকূপ ও বৈদ্যুতিব মটর দিয়ে ঘন্টা অথবা প্রতি বিঘা ১হাজার মৌসুম চুক্তিতে জমিতে সেচ দিয়ে চাষাবাদ। এতে ফসল উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে।

সদর উপজেলার ছোনগাছা ইউনিয়নের গুপির পাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম জানান, রোপা আমন রোপন করতে বীজতলা তৈরী করছেন। বৃষ্টির অভাবে জমি তৈরী করতে না পারায় বীজ তলায় উৎপাদিত চারার খরচ বেড়ে যাচ্ছে । তাই সেচ দিয়ে জমিতে হাল চাষ করছেন। খরচ বেশি হলেও নিরুপায়।

রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের সারাইহাজীপুর গ্রামের শাহিন খান বলেন, ১শ’ টাকা চুক্তিতে মটর দিয়ে জমিতে সেচ দিয়ে জমি তৈরী করছেন তারা। এক বিঘা জমি তৈরীতে সময় লাগে প্রায় ৩ঘন্টা। শুধু জমি তৈরীতে সেচ বাবদ খরচ পড়ে ৩শ’ টাকা। আবার ১হাজার অথবা ১২শ’ টাকায় মৌসুম চুক্তিতে রোপা আমন চাষ শুরু করছে।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুস্তোম আলী জানান, এবার উপজেলায় ১১হাজার ১২৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নিধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে আমণ চারা রোপন করেছে কৃষক। বাকী জমিতে কৃষককে বৃষ্টির অপেক্ষা না করে সেচ দিয়ে হলেও জমি তৈরী করে আমন চারা লাগানো পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

-আজকের সিরাজগঞ্জ // রিফাত

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর...

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তী

error: Content is protected !!