আজ ১৭ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১লা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

রায়গঞ্জে টাইগার টগর দেখতে দর্শনার্থীদের ভীর

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার এরান্দহ গ্রামের মো. আজাদ পারিবারিক গরুর খামার গড়ে সপ্ন দেখছেন লক্ষ টাকার। বর্তমান ফ্রিজিয়ান জাতের গরু পেলে সফলতা পেয়েছেন তিনি। আসছে ঈদুল আযহাতে ১২ লক্ষ টাকার এই ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটি বিক্রির আশায় বিভোর নির্ঘুম রাত কাটছে তার। দিন রাত শ্রম দিচ্ছেন গরু পরিচর্যা কাজের। পারিবারিক খামারে তার ভিষন কদর। খেয়ে দেয়ে তার ওজন মোট ১২০০ কেজি। বর্তমান দাম উঠেছে ৯ লক্ষ টাকার। আকারে বড় ও নজর কারা গরু কিনতে খামারির সাথে যোগাযোগ করছেন অনেক ক্রেতারা। ১২০০ কেজির গরুটির শখ করে নাম দিয়েছে টাইগার টগর। প্রতিদিন গরু দেখতে দর্শনার্থীরা ভীর করছে খামারে। রঙে সাদা কালো এরকম নজর কারা গরু দেখে ঈদের আনন্দ উপভোগ করেছেন দর্শনার্থীরা আগে থেকেই।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রানী সম্পদ অধিদপ্তর সুত্রে জানাগেছে, জেলায় ৪ লাখেরও বেশি কোরবানীর জন্য গরু প্রস্তু রয়েছে আর ১০ লাখেরও বেশি গরুকে সরকারি ভাবে টিকা প্রদান করা হয়েছে। কোরবানীর হাট এবং গো খামারীদের জন্য তাদের মনিটরিং টিম কাজ করছে। তবে এগুলো পশুকে এন্টিবায়োটিক ও স্ট্রয়েড খাওয়াতে না পারেন এসব নজর দাড়ি রয়েছে প্রানী সম্পদ অধিদপ্তরের। দর্শনার্থী মো. আজাদুল ইসলাম বলেন, আমি নলকা গ্রাম থেকে গরুটি দেখার জন্য আসছি। এই গরুটি আমার বন্ধুর। গরুটি দেখে আমার মনটা ভরে গেছে। আমিও আগামীতে এরকম নজর কারা গরু পালন করবো ইনশাআল্লাহ। গরুর খামারী মো. আজাদ বলেন, গরু পালনের জন্য প্রশিক্ষণ গ্রহণ না করলেও দীর্ঘদিন গরু পালনের অভিজ্ঞতা থাকায় বর্তমান আমি ফ্রিজিয়ান জাতের গরু পালন করেছি। গরুটি আমার পালের। আমার খামারে মোট তিনটি গরু আছে। তার মধ্যে এই ফ্রিজিয়ান জাতের গরু পালন করছি। যার বয়স ৩ বছর ২ মাস ও ৪ টি দাঁত উঠেছে। কোন ধরনের ফিড খাওয়া নো হয়নি। শুধু কাচা ঘাস ও প্রাকৃতিক দানাদার খাদ্য খাওয়ানো হয়েছে। সামনে ঈদে ১২ লক্ষ টাকার বিক্রির আশা করছি। শখ করে গরুটির নাম রেখেছি টাইগার টগর। ক্রেতাকে খুশী করার জন্য বর্তমান বাজার মুল্য ২০ হাজার টাকার মুল্যর খাসি উপহার দিবো। এছাড়াও মহামারী করোনা কালীন সময়ে আমারা যেন গরু নিয়ে লোকশানে না পরি সে ব্যবস্থা সরকার কে নেওয়ার অনুরোধ রইল।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকতারুজ্জামান ভুঁইয়া বলেন, খামারিরা যাতে লোকসানে না পড়ে এ জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। গরুর মালিকদের সরকারিভাবে নগদ টাকা, খাবার, ওষুধ দেয়া হয়েছে। জেলায় দশ লাখ গরুকে বিনা মূল্যে টিকা দিচ্ছে সরকার। আগামি কোরবানী প্রসঙ্গে তিনি বলেন কোরবানির ঈদ উপলক্ষে জেলায় ৪ লাখ ১২ হাজার গবাদিপশুকে প্রাকৃতিক ও দানাদার খাবার দিয়ে মোটাতাজা করা হয়েছে। যা জেলার চাহিদা মিটিয়ে অন্যস্থানে বিক্রি করা সম্ভব।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর...

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তী

error: Content is protected !!