আজ ১৭ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১লা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

চলনবিলে আসছে বন্যার পানি নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা

সোহেল রানা সোহাগ

দেশের সবচেয়ে বড় বিল চলনবিলে আসছে বন্যার পানি। এ বিলের নিচু এলাকা সহ মাঠ-ঘাট এখনো তলিয়ে না গেলে ও আসছে বর্ষাকে মোকাবেলা করার জন্য বিলাঞ্চলের মানুষ নৌকা তৈরি ও মেরামতের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

বন্যার পানি আসলে বিল অঞ্চলের অনেকেই এই কাজের উপর নির্ভরশীল হয়ে পরেন। কেউ করছেন নৌকা তৈরি, কেউবা আবার করছেন মেরামত। আর এ সব ছোট ছোট নৌকা বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন হাট বাজারে।

চলনবিলের ৯টি উপজেলার অধিকাংশ এলাকাই বন্যা প্রবণ। ফলে বর্ষা মৌসুমে তলিয়ে যায় রাস্তা-ঘাট। এ সময় চলাচলের একমাএ মাধ্যম নৌকা, ডিঙ্গি নৌকা বা তালের ডিঙ্গি। চলনবিলের মানুষ নৌকা দিয়ে একস্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াতের প্রধান বাহন হিসেবে কাজে লাগায়। তা ছাড়াও চলনবিলের মিঠা পানির মাছ শিকারের জন্য এ ছোট ছোট ডিঙ্গি নৌকা ব্যবহার হয়ে থাকে।

তাই এ বন্যার মৌ-সুম আসার শুরু থেকেই নৌকা তৈরি ও মেরামতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নৌকা তৈরির কারিগররা। বিভিন্ন গাছের কাঠ দিয়ে ১০-১২ হাত নৌকা তৈরি করতে খরচ পড়ে প্রায় ২হাজার ৫শ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা। যা ব্যবহার হয় মাছ শিকার ও অল্প মানুষের পারা পারের জন্য।

এ ছাড়াও দুরে ভ্রমন ও কিংবা বেশী মালামাল বহনের জন্য তৈরি করা হয় ডিজেল চালিত শ্যালোর নৌকা বা বড় নৌকা।

তাড়াশের মান্নান নগড় এলাকার নৌকা তৈরির কারিগর আব্দুল গফুর মিয়া বলেন, আমরা এ নৌকা তৈরির কাজ অনেকটাই বানিজ্যিক ভাবেই করে থাকি। গ্রাহকের কাছ থেকে কাজের অর্ডার নিয়ে কাঠ কিনে নৌকা তৈরি করে বিক্রি করি।

তাড়াশের নওগাঁ হাটের নৌকা বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন কারখানায় তৈরি করা নৌকা কিনেএনে হাটে হাটে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করি। এ ছাড়াও বন্যার সময় চলনবিলে নৌকার চাহিদা প্রচুর।

নৌকা ক্রেতা নাদোসৈয়দপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম জানান, বন্যায় নিচু সড়ক ডুবে যায় তাই পরিবারের সদস্যদেও পারাপার করার জন্য ছোট নৌকা ২ হাজার ৬শ’ টাকা দিয়ে ক্রয় করেছেন।

-আজকের সিরাজগঞ্জ // রিফাত

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর...

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তী

error: Content is protected !!